ক্ষীরগ্রাম যোগাদ্যা সতীপীঠ— পূর্ব বর্ধমানের অলৌকিক শক্তিক্ষেত্র
📌 চ্যানেল: Ranadip Das Vlog
🗓️ সময়কাল ও স্থান: ক্ষীরগ্রাম, মঙ্গলকোট ব্লক, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ
🕉️ শুরু: সতীপীঠের পরিচয়
ক্ষীরগ্রামের যোগাদ্যা সতীপীঠ হিন্দুধর্মের ৫১ শক্তিপীঠের অন্যতম, যেখানে সতীর ডান পায়ের আঙুল পতিত হয়েছিল বলে জানা যায়। দেবী এখানে ভদ্রকালী বা যোগাদ্যা রূপে পূজিত হন। পৌরাণিক মতে, রামচন্দ্র ও হনুমান স্বয়ং এই দেবীকে এখানে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
🔱 ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় প্রেক্ষাপট
রাজা হরিদত্তের স্বপ্নাদেশে দেবীর পূজার শুরু হয়েছিল এবং সময়ের সঙ্গে মহিষ বলির প্রচলন হয়। স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী, একটি দীঘির সংস্কারের সময় পাওয়া যায় আদি দেবী মূর্তি। সেই মূর্তিকে সারা বছর জলে রাখা হয় এবং নির্দিষ্ট দিনে জল থেকে তুলে পূজা করা হয়।
🌸 দর্শন ও অভিজ্ঞতা
গ্রামের মধ্যে মাটির দোতলা বাড়ি, শিব মন্দির, আঁকাবাঁকা রাস্তা ও বিস্তীর্ণ জলাশয় দর্শনার্থীদের অভিভূত করে। প্রতি বছর বৈশাখ সংক্রান্তিতে ১৫ দিনব্যাপী মেলা বসে এবং বহু ভক্তর আগমন ঘটে। পূজার সময়ে ডম সম্প্রদায়ের একজন বুক চিরে দেবীকে রক্ত অর্পণ করেন, যা এক অলৌকিক ধর্মাচরণের নিদর্শন।
🚩 যেভাবে পৌঁছাবেন
ট্রেন: কাটোয়া জংশন → কৈচর স্টেশন (১৭ কিমি) → সেখান থেকে টোটো করে ক্ষীরগ্রাম (৪ কিমি)
বিকল্প: বর্ধমান থেকেও ট্রেনে বা গাড়িতে সহজেই পৌঁছানো যায় (৩৬ কিমি দূরত্ব)।
বিকল্প: বর্ধমান থেকেও ট্রেনে বা গাড়িতে সহজেই পৌঁছানো যায় (৩৬ কিমি দূরত্ব)।
🕊️ অনুভব
যোগাদ্যা সতীপীঠে এসে যেন অনুভব হয় এক অতীন্দ্রিয় শক্তির উপস্থিতি। এখানে প্রতিটি পদক্ষেপে ভক্তি, ইতিহাস, পৌরাণিকতা এবং স্থানীয় সংস্কৃতির মেলবন্ধন দেখা যায়। ক্ষীর দিঘী, ধামাল দিঘী ও শিব মন্দির—সব মিলিয়ে এক অলৌকিক ধর্মীয় অভিজ্ঞতা।
📣 পাঠকের জন্য বার্তা
এই সতীপীঠ সম্পর্কে আপনি আগে জানতেন কি? কমেন্টে জানান! যদি ভিডিওটি ভালো লাগে তাহলে শেয়ার করুন ও চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না — Ranadip Das Vlog আপনার জন্য এমন অসাধারণ স্থানগুলো তুলে ধরে চলেছে।